1. admin@bangladeshpratikkhon.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বীন ছাড়ানোর নামে প্রতারণা, ৫ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ৪ শ্রীমঙ্গলে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত সিলেটে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ সমাবেশে বক্তারা —- ওসমানী হাসপাতালের হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এইচএসসিতে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের পাসের হার ৯৫.৩৩ শতাংশ যুক্তরাজ্যে গণদাবি পরিষদের কার্যকরী পরিষদের পরিচিতি ও ক্যাম্পেইন মিটিং অনুষ্ঠিত হয় আট বছর পর নির্বাচনী মাঠে চা শ্রমিকরা চা বাগানে ফিরছে ভোটের উৎসব শ্রীমঙ্গলে আইনি প্রক্রিয়ায় নিলামে কেনা জমির দখল নেওয়ার পাঁয়তারা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ শ্রীমঙ্গলের সাবানা হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড শ্রীমঙ্গলে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র্যালী ও আলোচনা সভা

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাড়া করা লোক দিয়ে ভাইকে হত্যা, মূল পরিকল্পনাকারীসহ  গ্রেপ্তার ৫

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৮২ বার পঠিত

 

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাড়া করা লোক দিয়ে আপন ভাইকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে খুনিরা পালিয়ে যায় খুনিরা। ঘটনার পর পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করলেও ছিল অজ্ঞাত।
এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশের বিশেষ টিম তদন্ত চালিয়ে দুইদিনে মধ্যে ক্লোলেস এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনৃ নিহত আব্দুল মতিনের আপন ভাই আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল আজিদ (৪৩), আব্দুল রুফ (৫৬), বোন আয়েশা আক্তার রত্না (৩৭) ও আব্দুল মজিদের স্ত্রী তুলি বেগম (৪০)।

পুলিশ জানিয়েছে,  ভিকটিম আব্দুল মতিনের সঙ্গে তার ভাই-বোনদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলমান ছিল। এই বিরোধের জের ধরে তার ভাই আব্দুল মজিদ হত্যার পরিকল্পনা করে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য লোক নিয়োগ করে। গত ২৮ জুন ২০২৬ আব্দুল মতিনের আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়টি পূর্ব থেকেই তার জানা ছিল। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।

সেদিন সকাল সাড়ে ৯টায় ভিকটিম আব্দুল মতিন (৫৮) একটি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য মৌলভীবাজার আদালতের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা হন। এ সময় আব্দুল মজিদের পরিকল্পিত টিম তাকে অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে নির্জন স্থানে তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে তার মরদেহ সুন্দর মিয়া নামের এক ব্যক্তির পুকুরের দক্ষিণ পাশ সংলগ্ন ঢালের পাকা রাস্তার উপর ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

সন্ধ্যায় আব্দুল মতিন বাড়িতে ফিরে না আসায় তার স্ত্রী লাকি আক্তার শেফা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোনটি বন্ধ পান। পরে তিনি স্বামীর খোঁজে বের হলে সংবাদ পান যে, তাদের বাড়ির পূর্ব পাশে সুন্দর মিয়ার পুকুরের দক্ষিণ পাশ সংলগ্ন ঢালে পাকা রাস্তার উপর হাত-পা বাঁধা এবং গলায় শার্ট প্যাঁচানো অবস্থায় একজনের মরদেহ পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার স্বামী আব্দুল মতিনের মরদেহ শনাক্ত করেন। মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

সংবাদ পেয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ওইদিন রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরে নিহত আব্দুল মতিনের হত্যা রহস্য উদঘাটন করতে জেলা পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম),  নোবেল চাকমার তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের-এর নেতৃত্বে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঘটনার তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারিসহ ৫ জন আটক হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © বাংলাদেশ প্রতিক্ষণ ২০২৪
Theme Customized By Shakil IT Park