
খাল পুনঃখননে সেচ ও জলাবদ্ধতার সমাধান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
সিলেট প্রতিনিধি:
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেট মূলত এক ফসলি এলাকা হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে সেচের অভাব এবং কিছু জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকেরা প্রত্যাশিত ফসল উৎপাদন করতে পারেন না। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ দুই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ বিঘা জমি নতুন করে চাষের আওতায় আসবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ওসমানীনগর উপজেলা-এ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় চম্পাতলী খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খাল পুনঃখননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বর্ধিত ফসল উৎপাদন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পের সুফল স্থানীয় মানুষ প্রথম বছর থেকেই পেতে শুরু করবে।

খুচরা ও পাইকারি বাজারে দামের পার্থক্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দুই পর্যায়ে কিছুটা মূল্য পার্থক্য স্বাভাবিক হলেও তা যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায় সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের দামে অস্বাভাবিক ব্যবধান চিহ্নিত করতে ঈদের পর একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটির মাধ্যমে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করা হবে।
বাণিজ্য ঘাটতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং উন্নত দেশগুলোও এর বাইরে নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ রফতানির তুলনায় বেশি, তাই এটি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা।

অনুষ্ঠানে স্থানয় সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সিলেট সিটি কর্পোরেশন-এর প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।