
শাল্লা(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে প্রেস কনফারেন্স করেছে ভুক্তভোগী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব মিয়া ও স্বেচ্ছাসেবকদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নুরুল আমিন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নুরুল আমিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, পাবেল আহমেদ হাওর রক্ষা বাঁধের পিআইসি দেয়ার নাম করে রাকিব মিয়ার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেন। পরে পিআইসি না হওয়ায় রাকিব মিয়া টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেন। এই পাওনা টাকা নিয়েই বুধবার সকাল ১১ টার দিকে রাকিব আর পাবেলের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়েছে বলে শুনেছি। তবে এসময় আমি ছিলাম না। এরপরও আমাকে ও আমার স্বেচ্ছাসেবক দলকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়ে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে৷ তাই উক্ত সংবাদটি আমার নজরে আসলে প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং উক্ত ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। তিনি আরো বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপজেলা কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য পাবেল আহমেদ সাংবাদিক বাদল দাসকে ডেবিল মামলার মিথ্যা আসামী বানিয়ে হয়রানি করে। এমনকি জেলও কাটান। আর এই সুযোগে উপজেলা কমিটির সদস্য হয় পাবেল আহমেদ। এই কমিটির সদস্য হয়েই সে আলাদীনের চেরাগ পেয়ে যান।
যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব মিয়া বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাংবাদিক প্রতিনিধি হওয়ায় পাবেলের সাথে একটু ঘনিষ্ঠতা হয়। সেই সুবাধে পাবেল আমাকে অপার করে বরাম হাওরের ৩৩ নং প্রকল্প ও ১৮ নং প্রকল্প আমাকে দিতে পারবে। বিনিময়ে ৩ লাখ টাকা লাগবে। তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে আমি ৩ লাখ টাকা দিয়ে দেই। পরে কমিটি প্রকাশ পেলে আমার কমিটির সদস্যরা না থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করি। এরপর পাবেল জানান, ৩৩ নং প্রকল্পের সদস্য সচিবের হাওরে কোনো জমি নেই। তার নাম কেটে আমার কমিটির সদস্যদের মিলিয়ে আবার প্রকল্প অনুমোদিত হবে। কিন্তু এরপর আর কোনো কমিটি হয়নি। পরে আমার দেয়া ৩ লাখ টাকা চাইলে ১৫ দিনের সময় নেয়। ১৫ দিন পার হয়ে গেলে আর কোনো খবর নেই পাবেলের। ফোন দিলেও ফোন ধরে না। সেই সুবাধে তার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারিনি। তাই আজ বুধবার সকাল ১১ টার দিকে পাবেলকে দেখতে পেয়ে আমার পাওনা টাকার বিষয়ে কতা বলছিলাম। এই সময় ফখরুল মিয়া, মেম্বার হারুন মিয়া ও সাংবাদিক দিলোয়ার হোসেন ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে আমাদের মধ্যে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। তিলকে তাল বানানোর জন্য পাবেল মিথ্যা রটনার মাধ্যমে আমার টাকা না দেয়ার ধান্দা করছে। তাই তিনি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের কাছে এই মিথ্যা ঘটনার সুষ্টু তদন্ত দাবী করছেন।##