
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম, এসআই অলিয়ার রহমান, এএসআই নজরুল ইসলাম বাবু ও সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত পুলিশের একটি দল ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে ৩জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন- জিল্লুর মিয়া (২৬), হোসেন (৩৩), আব্দুল আহাদ (৪৪)।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদ (২৭) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
এরপর পারভেজ আহমদের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তাঁর সহযোগী সুমন আহমদ (৩৮)-কে জুড়ী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ আহমদ ও সুমন আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিরপাড় এলাকার রহমান ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় পুষ্পা জুয়েলার্সের ১৩ নম্বর দোকান থেকে সাইদুর রহমান (২৩)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ ২১ অক্টোবর বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।