বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি :
আলী আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুল। চালচলনে একদম সাদামাঠা অতি সাধারণ একজন মানুষ। তার কাছে নেই শ্রেণী ভেদাভেদ নেই ধর্মের বৈষম্যতা। এক কথায় তিনি একজন খাঁটি বাঙালি।
তিনি বাঙালি কৃস্টি সংস্কৃতিকে লালন করেন।
এক সময় তার বংশের জৌলুস প্রতিপত্তি থাকলেও তা আজ কালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেছে। এসব নিয়ে তিনি মোটেই ভাবেন না। তিনি তার নামের শেষে পারিবারিক টাইটেলটুকু লিখতে পছন্দ করেন না।
বলছিলাম বিয়ানীবাজার উপজেলার কোনাশালেশ্বর গ্রামের প্রখ্যাত বড়বাড়ি তথা চৌধুরী বাড়ির মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মরহুম মুহিবুজ্জামান চৌধুরীর দ্বিতীয় পুত্র আলী আক্তার উজ-জামান চৌধুরী বাবুল এর কথা।
মার্কস লেলিনের আদর্শের দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে তিনি একসময় বাম রাজনীতির মাধ্যমে শ্রমিক রাজনীতি দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ করেছিলেন। তিনি
শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের দাবী দেওয়া নিয়ে রাজপথ কাঁপিয়েছেন। কৃষককে নিয়েও তিনি কাজ করেছেন।
প্রতি দানে তিনি একসময় ক্ষেতমজুর ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি সিলেট বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন। সিলেট বিমানবন্দর কে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করন আন্দোলন।সিমিটা বিরোধী আন্দোলন, সহ স্থানীয় ও জাতীয় অনেক আন্দোলনের রাজপথে থেকেছেন।
এক সময় তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ডঃ কামাল হোসেনের আহ্বানের গণফোরমে যোগদান করেন। যোগদানের ওই বছরই সম্মেলনের মাধ্যমে, সিলেট মহানগরের গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, সভাপতি নির্বাচিত হন প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিলেন্দু দে।
একটি সময় তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। বর্তমানে তিনি সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ও সিলেট প্রদেশ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও তিনি তার নিজ এলাকা শেওলা ইউনিয়নের, কুশিয়ারা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটি ও শেওলা ইউনিয়ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি একজন ভালো সংগঠক, সমাসকর্মী, ও একজন ভালো নাট্য অভিনেতাও বটে। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা সূত্রে তিনি ছেলের শহরে বসবাস করেন।