
সভায় আবেগঘন বক্তব্যে মো. সালাহ্ উদ্দিন বলেন, আজকের এই মুহূর্তটি আমার জীবনের বিশেষ একটি আবেগঘন মুহূর্ত। দীর্ঘ কর্মজীবনের পথচলা শেষে পেশাগত জীবনের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের শুরু ও সমাপ্তি থাকলেও কিছু সম্পর্ক, স্মৃতি এবং মানুষের ভালোবাসা কখনো শেষ হয় না।
তিনি আরও বলেন, চাকরি মানুষকে পরিচয় দেয়, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা মানুষকে স্মরণীয় করে রাখে। কর্মজীবনে অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, অনেকের সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি। বিশেষ করে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা আন্তরিক সম্পর্ক আমার জীবনের অন্যতম মূল্যবান অর্জন।
তিনি বলেন, দাপ্তরিক দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটলেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো সমাপ্তি ঘটবে না।
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের লেখনী, ক্যামেরা ও কণ্ঠের মাধ্যমে সত্য, ন্যায় এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন, পথচলায় হয়তো প্রতিদিন দেখা হবে না, কিন্তু আপনাদের সঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও ভালোবাসা আমার হৃদয়ে চিরদিন অমলিন হয়ে থাকবে।
নিজের কর্মজীবনের কোনো কথা, আচরণ কিংবা সিদ্ধান্তে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি বলেন, আপনাদের কাছ থেকে যে সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সম্মান পেয়েছি, তার জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। বিদায় মানে বিচ্ছেদ নয়, বিদায় মানে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দূরত্ব বাড়তে পারে, কিন্তু আন্তরিকতা ও ভালোবাসা কখনো দূরে সরে যায় না।
সভায় মো. সালাহ্ উদ্দিনের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও পেশাগত অবদান নিয়ে বক্তব্য দেন ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন শ্রীমঙ্গলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রুবেল আহমদ, সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, একাত্তর টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আহমেদ ফারুক মিল্লাদ, দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক কাওছার ইকবাল প্রমুখ। এছাড়াও এসময় বিভিন্ন ইলেকট্টনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।